সরকারি ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক হাসপাতালে শিক্ষক-চিকিৎসক সংকট

২২ মাস বেতনহীন থেকে মানবেতর জীবনযাপন, রাজস্ব খাতে অন্তর্ভুক্তির দাবি

নিউজ ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ০৫:২১ পিএম

রাজধানীর মিরপুর-১৩ এলাকায় অবস্থিত সরকারি ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের শিক্ষক ও চিকিৎসকরা দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ঠার সঙ্গে সেবা প্রদান করে আসলেও বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি চরম শিক্ষক ও চিকিৎসক সংকটে কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে।


নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধীনে অল্টারনেটিভ মেডিকেল কেয়ার (এএমসি) অপারেশনাল প্ল্যানের মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক ও চিকিৎসকরা গত ২২ মাস ধরে বেতন ছাড়াই দায়িত্ব পালন করে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। দীর্ঘদিন ধরে বেতন না পাওয়ায় তাদের মধ্যে চরম হতাশা ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।


জানা যায়, গত ৩৫ বছর ধরে প্রতিষ্ঠানটিতে রাজস্ব খাতে নতুন কোনো নিয়োগ হয়নি। ফলে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ও শত শত রোগীর চিকিৎসাসেবা বর্তমানে প্রকল্পভুক্ত ৪৪ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। অথচ দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করলেও প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তাদের রাজস্ব খাতে স্থানান্তরের কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

এ অবস্থায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও চিকিৎসকরা তাদের ন্যায্য দাবি আদায়ে কর্মবিরতির ঘোষণাও দিয়েছেন। তারা বলছেন, দ্রুত সমস্যার সমাধান না হলে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষা কার্যক্রম ও চিকিৎসাসেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে।

শিক্ষক ও চিকিৎসকরা মনে করেন, দেশের প্রাচীন ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা পদ্ধতিকে টিকিয়ে রাখতে হলে জরুরি ভিত্তিতে প্রকল্পভুক্ত সকল শিক্ষক ও চিকিৎসককে রাজস্ব খাতে স্থানান্তর করতে হবে। পাশাপাশি নিয়োগবিধির জটিলতা নিরসন করে ধারাবাহিক নিয়োগ প্রক্রিয়া চালুরও দাবি জানান তারা।

এ বিষয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য তারা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। একই সঙ্গে “সবার আগে বাংলাদেশ” স্লোগানকে ধারণ করে স্বাস্থ্যখাতে বিদ্যমান বৈষম্য দূর করার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও চিকিৎসকরা।

চিকিৎসক সংকট বেতন