ভাঙন প্রতিরোধে জরুরি কাজ শুরু করেছি: পানি সম্পদমন্ত্রী এ্যানি

ছবি : সংগৃহীত
১৭ মে ২০২৬, ০৬:৩৪ পিএম
নোয়াখালীর সুবর্ণচরে মেঘনা নদীর তীব্র ভাঙন কবলিত এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে ভাঙন প্রতিরোধ কাজ শুরু করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পানি সম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। রোববার (১৭ মে) দুপুরে তিনি মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের কাটাখালি ঘাট ও সৈয়দপুর ঘাট এলাকা পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন।
আরাকান আর্মির সঙ্গেও যোগাযোগ অন্তর্বর্তী সরকারের
মন্ত্রী বলেন, “আমরা এখন যেখানে আছি, এটা মেঘনা নদীর পাড়। কাটাখালি বাজারের দুই পাশেই নদী ভাঙন চলছে। আমরা সরজমিনে পরিস্থিতি দেখলাম। অনেক বাজার, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা এবং মানুষের ঘরবাড়ি ভেঙে যাচ্ছে। এমনকি চোখের সামনে একটি স্কুল ভেঙে পড়তে দেখলাম।”
তিনি আরও বলেন, “এভাবে যখন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, বাজার ভেঙে পড়ছে, তখন আমাদের দায়িত্ব আছে। সেই দায়িত্ববোধ থেকেই এলাকার মানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী ইতোমধ্যে জরুরি ভিত্তিতে ভাঙন প্রতিরোধ কাজ শুরু করা হয়েছে।”
বর্ষা মৌসুমকে সামনে রেখে সরকারের প্রস্তুতির কথা জানিয়ে পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, “সামনে বর্ষা ও অতিপ্লাবন রয়েছে। তাই আরও দুই-তিনটি জায়গায় জরুরি কাজ শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।” তিনি আরও জানান, নদীর অপর প্রান্তে উড়িরচর, স্বর্ণদ্বীপ, ভাসানচর ও হাতিয়া এলাকায়ও ভাঙন পরিস্থিতি নজরদারিতে রয়েছে।মন্ত্রী বলেন, “এই এলাকায় দীর্ঘদিনের মানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী স্থায়ী সমাধানের প্রয়োজন রয়েছে। সে অনুযায়ী আমরা স্থায়ী ভাঙন প্রতিরোধমূলক প্রকল্প গ্রহণ করবো।”
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিষয়ে তিনি বলেন, স্টাডি রিপোর্ট শেষ হলে আগামী অর্থবছরেই প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্য রয়েছে। বর্ষা শেষে কাজ শুরু করে দ্রুত সময়ের মধ্যে তা সম্পন্ন করার চেষ্টা করা হবে বলেও জানান তিনি।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শাহজাহান, নোয়াখালী জেলা প্রশাসক শফিকুল ইসলাম, জেলা পুলিশ সুপার টিএম মোশাররফ হোসেন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর চৌধুরী আলো, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হারুন অর রশীদ আজাদসহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।


